কৌশলগত উদ্দেশ্যসমূহ

কৌশলগত অগ্রাধিকার:

মানসম্পন্ন আইনগত সহায়তা সেবা প্রদানের জন্য IDRF সংস্থা সুশাসন, ব্যবস্থাপনা ও কার্যপদ্ধতি, প্রয়োজনীয় সুবিধা প্রদান করে মানব কল্যাণে  সহায়ক থাকা।

কৌশলগত উদ্দেশ্যসমূহ – প্রাতিষ্ঠানিক:

1.1 IDRF সংস্থার কার্যক্রমকে সহায়তার জন্য একটি কার্যকর পরিচালনা কাঠামোর উপস্থিতিঃ বেসরকারি সংস্থাসমূহের সদস্য হিসেবে নিয়োগদানের জন্য বিবেচ্য বিষয়গুলোসহ বোর্ডের পরিচালনা পরিষদের সদস্য কাঠামো পর্যালোচনা এবং পরিষদের সদস্যদের নিকট প্রত্যাশিত অবদান/ভূমিকা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা প্রদান করা।

1.2 প্রয়োজনীয় সংখ্যক সু-শিক্ষিত ও প্রণোদিত মানব সম্পদের উপস্থিতি:

IDRF সংস্থার স্টাফদের জন্য কর্মসূচী ব্যবস্থাপনা, আর্থিক ব্যবস্থাপনা, লিগ্যাল এইড বিষয়ে গবেষণা ও নীতিমালা প্রণয়ন এবং তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক দক্ষতা উন্নয়নের জন্য পদ্ধতিগত দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক কর্মসূচী পরিকল্পনা প্রণয়ন ও তা বাস্তবায়ন করা।

1.3 লিগ্যাল এইড প্রদান ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সহায়তার জন্য ফলপ্রসূ/কার্যকর আধুনিক ব্যবস্থাপনা (তথ্যপ্রযুক্তি, আর্থিক, মনিটরিং ইত্যাদি বিষয়ে) পদ্ধতি গড়ে তোলাঃ আইনগত সহায়তার সম্প্রসারণ পরিকল্পনাসহ প্রযুক্তি নির্ভর আধুনিক অফিস ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি গড়ে তোলা।জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য কার্যকর ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি সম্পর্কিত পরিকল্পনা প্রণয়ন ও তা বাস্তবায়ন করা।

 

কৌশলগত অগ্রাধিকার  – কার্যক্রমভিত্তিক:

জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা এর মূলনীতি অনুসারে উচ্চমানসম্পন্ন এবং কার্যকর আইনগত সহায়তা সেবা প্রদান কার্যক্রম পরিকল্পনা, ব্যবস্থাপনা ও তদারকি করবে।কৌশলগত উদ্দেশ্যসমূহ – কৌশলগত অগ্রাধিকার ২ – কার্যক্রমভিত্তিক

. জাতীয় পর্যায়ে আইনগত সহায়তা সম্পর্কিত ফলপ্রসূ জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমঃ জেলা পর্যায়ে আইনগত সহায়তার মানোন্নয়ন এবং উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে আইনগত সহায়তা কার্যক্রমের প্রচলনের সাথে সমন্বয় করে জাতীয় পর্যায়ে আইনগত সহায়তা বিষয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিকল্পনা করা।সঠিক ও ফলপ্রসূ সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য স্থানীয় অফিসসমূহের (জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে) সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।

. সুপ্রীম কোর্টে উচ্চমানসম্পন্ন আইনগত সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করাঃ

পর্যালোচনার মাধ্যমে সুপ্রীম কোর্টে আইনগত সহায়তা কার্যক্রমের অগ্রাধিকারসমূহ চিহ্নিত করা। IDRF সংস্থা সরাসরি সুপ্রীম কোর্টে আইনগত সহায়তা কার্যক্রমের ব্যবস্থাপনা তদারকি করে এর শক্তিশালী দিক, দুর্বল দিক ও ভবিষ্যত করণীয় নির্ধারণ করে। সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ও সুপ্রীম কোর্টের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে সুপ্রীম কোর্টে আইনগত সহায়তা সেবার পুনর্গঠন এবং একই সাথে স্টাফ ও প্রশাসনিক সহায়তার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখার দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করা।

. সরকার অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুসারে জেলা পর্যায়ে নতুন আইনগত সহায়তা মডেল ও কর্মী ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়নে ব্যবস্থা গ্রহণ করাঃ নবনিযুক্ত স্টাফদের জন্য অবকাঠামোগত সুবিধা, দায়িত্ব ও কার্যাবলী, প্রশিক্ষণ এবং পরিচিতিমূলক অনুষ্ঠান আয়োজনের লক্ষ্যে নতুন আইনগত সহায়তা মডেলের জন্য সময়সূচী সম্বলিত কর্মসূচী বাস্তবায়ন পরিকল্পনা তৈরী করা। অন্যান্য অংশগ্রহণকারীদের/ স্টেকহোল্ডারদের জন্য সচেতনতামূলক কর্মসূচী পরিকল্পনা করা (কৌশলগত অগ্রাধিকার ২.৫, ২.৬ এবং ২.৭ অনুসারে)।নির্ধারিত সময়সীমা অনুসারে কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা।কর্মসূচী বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া মনিটরিং করা, অফিস স্টাফ ও জেলা কর্তৃপক্ষের মতামত গ্রহণ করা এবং প্রয়োজনমাফিক কর্মসূচী বিন্যাস করা।

. উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে লিগ্যাল এইড কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও ব্যবস্থাপনা করাঃ উপজেলা ও ইউনিয়ন লিগ্যাল এইড কমিটিসমূহ গঠন ও কার্যকর করে নতুন প্রণীত বিধিসমূহ প্রয়োগ করা।উপজেলা ও ইউনিয়ন লিগ্যাল এইড কমিটিসমূহের কার্যকারিতা মনিটরিং করে স্থানীয় আইনগত সহায়তার জন্য উপযোগী কার্যক্রমসমূহ সম্প্রসারণের সুপারিশ করা।

. জেলা পর্যায়ে উচ্চমানসম্পন্ন আইনগত সহায়তা প্রদান কার্যক্রম সহায়তা করা:

  • মৌলিক নীতিমালা অনুসারে সকল জেলায় মডেল লিগ্যাল এইড কার্যক্রমসমূহ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া চালু রাখা।
  • জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা’র মানদন্ডের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ লিগ্যাল এইড প্রশাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি ও স্টাফদের সহায়তা করা এবং নিম্নে লিখিত বিষয়সমূহ অর্ন্তভূক্ত করাঃ

 

অংশীদারদের সচেতনতা: জেলা আদালতসমূহের বিচারক ও কর্মচারীদের জন্য আইনগত সহায়তা বিষয়ক সচেতনতা ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচী প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে সহায়তা করা।

গণসচেতনতাঃ সচেতনতা তহবিলের কার্যকর ব্যবহারের জন্য জেলাসমূহে নীতি নির্দেশনা ও সামগ্রী প্রস্তুত, প্রকাশ ও মনিটরিং করা।

মনিটরিং: আইন সহায়তা গ্রহণকারীর মতামতসহ জেলা লিগ্যাল এইড অফিসসমূহ নিয়মিত মনিটরিং এর জন্য কর্মসূচী প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা।

গুণগতমান নিশ্চিতকরণঃ আইনগত সহায়তা কার্যক্রমের জন্য সঙ্গতিপূর্ণ একটি জাতীয় প্যানেল আইনজীবী মানদন্ড প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা।প্যানেল আইনজীবীদের জন্য প্রশিক্ষণ ও প্রণোদনামূলক কর্মসূচী প্রণয়ন ও প্রদানের লক্ষ্যে সহযোগিতার পথ খুঁজে বের করা।

সহযোগিতামূলকঃ সুবিচার প্রাপ্তি উন্নয়নের জন্য লিগ্যাল এইড অফিসসমূহকে সহায়তা করার লক্ষ্যে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় নীতিমালা প্রণয়ন, প্রকাশ ও মনিটরিং করা।

. বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির উপায় ও কৌশল আইনগত সহায়তা কার্যক্রমে অর্ন্তভূক্তকরণের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করাঃ

  • দেওয়ানী ও পারিবারিক বিষয়ে আইনগত সহায়তা কার্যক্রমের অংশ হিসাবে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা প্রচলন করার জন্য গবেষণা, বিভিন্ন নীতি প্রনয়ন এবং কার্যক্রম গ্রহণ করা। এটি বিচার ও মামলাজট কমানোর জন্য বিচার ব্যবস্থার সার্বিক পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার অংশ হিসাবে বিবেচিত হবে।
  • ফৌজদারী বিষয়ে বা আপোষযোগ্য মামলার ক্ষেত্রে আইনগত সহায়তা কার্যক্রমের অংশ হিসাবে মধ্যস্থতা ব্যবস্থা প্রচলন করার জন্য গবেষণা, বিভিন্ন নীতি প্রণয়ন এবং কার্যক্রম গ্রহণ করা। এটি বিচার ও মামলাজট কমানোর জন্য বিচার ব্যবস্থার সার্বিক পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার অংশ হিসাবে বিবেচিত হবে।
  • জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা প্রণীত বিভিন্ন নীতি বাস্তবায়নের জন্য আইনগত সহায়তা প্রদান আইন- ২০০০ এবং বিধানমালার প্রয়োজনীয় সংশোধনীসমূহ চিহ্নিত করা।

. জরুরী আইনগত সহায়তা কার্যক্র বাস্তবায়ন করাঃ

  • গবেষণা ও পূর্ববর্তী পরীক্ষামূলক প্রকল্প থেকে প্রাপ্ত সুপারিশমালার ভিত্তিতে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ‘‘জরুরী আইনগত সহায়তা” কার্যক্রম চালু করার জন্য গবেষণা, বিভিন্ন নীতি প্রণয়ন এবং কার্যক্রম গ্রহণ করা।
  • IDRF সংস্থা দ্বারা বিভিন্ন নীতি বাস্তবায়নের জন্য আইনগত সহায়তা প্রদান আইন- ২০০০ এবং বিধানমালার প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনা।

. দরিদ্র নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর প্রয়োজনীয় আইনগত সহায়তা প্রদান নিশ্চিত করাঃ

  • নারী ও শিশুদের আইনগত সহায়তা প্রদানে বিশেষ কার্যাবলী সম্পন্ন করা এবং দরিদ্র নারী ও শিশুদের বিশেষ প্রয়োজনে আইনগত সহায়তা পাওয়ার বিষয়টি কার্যকরভাবে সমাধান করার জন্য একটি জাতীয় লিঙ্গ সমতা কৌশল প্রণয়ন করা।
  • বিশেষ প্রয়োজনে কার্যকর আইনগত সহায়তা পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য একটি জাতীয় কৌশল প্রণয়ন করা।
  • উপজাতী ও ভাষাগত সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর বিশেষ প্রয়োজনে আইনগত সহায়তা পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য একটি জাতীয় কৌশল প্রণয়ন করা।
  • অনুমোদিত কৌশলসমূহ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন ও মনিটর করা।

.  কার্যকর আইনগত সহায়তা কার্যসমূহ চিহ্নিত, যাচাই এবং প্রস্তাবনার জন্য গবেষণা পরিচালনা করাঃ

  • সকল উৎস হতে প্রাপ্ত সংস্কার বিষয়ক সুপারিশমালার একটি বিস্তারিত হালনাগাদ তালিকা প্রস্তুত করা, বিশেষ করে ২০০৯ সাল পরবর্তী সুপারিশসমূহ এবং এগুলোর মধ্যে যে সুপারিশসমূহ বর্তমান সংস্কারের অংশ হিসেবে বাস্তবায়ন করা যায় সেগুলো চিহ্নিত করা।
  • আইনগত সহায়তা বিষয়ক আন্তর্জাতিক গবেষণা ও মূল্যায়ন কার্যক্রমের সাথে যোগাযোগ ও অংশগ্রহণের জন্য চলমান কার্যক্রমসমূহ বিন্যাস করে এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে প্রযোজ্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্তসমূহ চিহ্নিত ও মনিটর করা।

.১০ চৌকি আদালত নামে পরিচিত উপজেলা পর্যায়ের আদালতসমূহে এবং অন্যান্য বিশেষায়িত আদালতসমূহে  আইনগত সহায়তা কার্যক্রম সম্প্রসারণ করাঃ

  • গবেষণা ও পূর্ববর্তী পরীক্ষামূলক প্রকল্প থেকে প্রাপ্ত সুপারিশমালার ভিত্তিতে, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, বিভিন্ন নীতি প্রণয়ন এবং বিশেষ আইনগত সহায়তা কার্যক্রম গ্রহণ করা।
  • প্রণীত বিভিন্ন নীতি বাস্তবায়নের জন্য ‘‘আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০” ও প্রবিধানমালার প্রয়োজনীয় সংশোধনীসমূহ চিহ্নিত করা।

 

কৌশলগত অগ্রাধিকার  – সহযোগিতামূলক:

দরিদ্র জনগণের বিশেষ করে নারী ও শিশু যারা সুবিধা বঞ্চিত তাদের সুবিচার প্রাপ্তি উন্নয়নের জন্য IDRF সংস্থা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের  সাথে সক্রিয়ভাবে কাজ করবে।

কৌশলগত উদ্দেশ্যসমূহ – কৌশলগত অগ্রাধিকার  – সহযোগিতামূলকঃ

. আইনগত সহায়তাকে বিচারিক কার্যক্রম হিসেবে নিশ্চিত করার জন্য বিচার বিভাগের সাথে কাজ করাঃ

  • আইনগত সহায়তা সম্পর্কিত প্রশাসনিক বিষয়াদিকে প্রভাবিত করে এইরূপবিষয়ে তথ্য বিনিময়ের জন্য জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা নিয়মিতভাবে সুপ্রীম কোর্ট ও আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাথে আলোচনায় বসবে। আইন সহায়তা সংশ্লিষ্ট বিচারকদের বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন মূল্যায়নের অংশ হিসেবে আইনগত সহায়তা সেবা প্রদানে ব্যায়িত সময়ের যথার্থ পর্যালোচনা ও মূল্যায়ন করা।

 

  • আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, সুপ্রীম কোর্ট ও বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের জন্য আইনগত সহায়তা বিষয়ে প্রশিক্ষণ সহায়িকার প্রস্তাবনা তৈরী। এই সহায়িকা অনুসারে বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে নবনিযুক্ত বিচারকদের জন্য প্রশিক্ষণ ও বিচারিক শিক্ষা প্রদান করা।

. আইনগত সহায়তা কার্যক্রমের মানোন্নয়নে জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে সরকারি স্টেকহোল্ডারদের সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন করাঃ

  • স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়, তথ্য মন্ত্রণালয়, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়সহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পর্ক স্থাপন ও পরিচলনা করা এবং আইনগত সেবাসমূহকে আরও কার্যকর করার জন্য পরস্পরের সাথে সহযোগিতামূলক ক্ষেত্র খুঁজে বের করা।

.  এনজিওসহ সুশীল সমাজ সংগঠনের সাথে সহযোগিতামূলক কৌশল তৈরী ও বাস্তবায়ন করাঃ

  • সুশীল সমাজ ও জাতীয় পর্যায়ের এনজিওদের সাথে মত বিনিময় সভার আয়োজন করা এবং পারস্পরিক সহযোগিতামূলক ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করা ও সুপারিশমালা তৈরী করা।

. গবেষণা ও নীতিমালা প্রণয়ণ এবং মামলাজট নিরসনে অবদান রাখাঃ

. আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, এজেন্সী, অঙ্গসংস্থা বা ফোরামের সাথে যৌথ উদ্যোগে কাজ করা এবং এসব প্রতিষ্ঠানের নিয়ম ও রীতি এদেশের চলমান আইনগত সহায়তা ব্যবস্থায় অন্তর্ভূক্ত করাঃ

কৌশলগত অগ্রাধিকার  – অর্থসংক্রান্তঃ

সংস্থার কৌশলগত অগ্রাধিকারসমূহ অর্জনের জন্য IDRF সংস্থা পর্যাপ্ত সম্পদে সমৃদ্ধ থাকবে।

কৌশলগত উদ্দেশ্যসমূহ – কৌশলগত অগ্রাধিকার  – অর্থসংক্রান্তঃ

. আইনগত সহায়তা সেবা ও কার্যক্রমের জন্য IDRF তহবিল থেকে অনুদান বৃদ্ধির জন্য নিয়মিত বাজেট প্রনয়ণ করাঃ

  • আইন সহায়তা তহবিল ব্যবহারের বর্তমান সীমাবদ্ধতাসমূহ পর্যালোচনা করা এবং IDRF সংস্থা এবং স্থানীয় আইনগত সহায়তা প্রদানকারী অফিসসমূহের প্রকৃত প্রয়োজনানুসারে তহবিল বিধিমালায় পরিবর্তন/সংশোধন করা।
  • সেবার মাত্রা, প্রয়োজনীয়তা এবং বাজেট আবেদনে অনুমিত চাহিদা দেখানোর জন্য পরিসংখ্যান প্রতিবেদন বিশ্লেষণ নিশ্চিত করা এবং এর উপর দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ এবং নীতি প্রণয়ন করা।স্থায়ী অর্থায়ন প্রবাহ নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট সরকারি অফিসের (আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং অর্থ মন্ত্রণালয়) সাথে কাজ করা।

. কৌশলগত উদ্দেশ্য পূরণের লক্ষ্যে  এবং বিচার প্রাপ্যতার সংখ্যা উন্নয়নের জন্য অন্যান্য উৎস থেকে অর্থায়ন সংগ্রহ করা এবং তা সঠিকভাবে ব্যবহার করাঃ

  • IDRF সংস্থার কৌশলগত অগ্রাধিকারসমূহের আলোকে সংস্থার দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়তা এবং আইনগত সহায়তা কার্যক্রম বৃদ্ধির জন্য আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ এবং পরিকল্পনা কমিশন এর সাথে যোগাযোগ করে আন্তর্জাতিক দাতাগোষ্ঠী বা উন্নয়নকামী অর্থায়নকারী সংগঠনের তহবিল খুঁজে বের করা।

 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *