আইন

আইন বই


তথ্য ভান্ডার: প্রকল্পের আইনী সহায়তা বিষয়ক তথ্যের ভাণ্ডারে আপনাকে সু-স্বাগতম। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আইডিআরএফ তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের নারী ও শিশুদের আইনি সহায়তা দেওয়ার জন্য কাজ করছে। বাংলাদেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী। এ নারী সমাজ বিভিন্ন কারণে যুগ যুগ ধরে বিভিন্ন ধরণের নির্যাতনের শিকার হয়ে মর্যাদাপূর্ণ জীবন যাপনে সক্ষমতা অর্জন করতে পারেনি। পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা, ধর্মীয় গোড়ামী, কুসংস্কার এবং শিক্ষার অভাব ইত্যাদি কারণে আজো মহিলারা পরিবারে, সমাজে রাষ্ট্রীয় সকল ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার হয়েছে। কিন্তু মহিলাদের সত্যিকারের উন্নয়ন ব্যতীত দেশের উন্নয়ন অর্জিত হবেনা। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ ও নির্যাতন বন্ধ করে তাদেরকে উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় সম্পৃক্ত করা আমাদের সংগঠনের একটি অঙ্গীকার। প্রকল্পটি নারী ও শিশুদের জন্য কাজ করছে। নারী ও শিশুরা যেন তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে তাদের আইনী সহায়তা সম্পর্কে সকল সুযোগ সুবিধার বিষয়ে অবহিত হতে পারে এবং তাদের প্রতি যে কোন ধরণের অন্যায় ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে আইনী সহায়তা নিতে পারে সে জন্য এই সংগঠনটি আইনী সহায়তা সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্যের সমাবেশ রেখেছে তথ্য ভান্ডারে। আসুন, তথ্য ভান্ডারের আইনী সহায়তা অংশ ভিজিট করুন এবং সরকারের আইনী সহায়তা সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করুন। আপনার আইন বিষয়ক সমস্যা সমাধান করে নিজেকে রক্ষা করুন এবং অন্যকে সাহায্য করুন।সরকারি আইনী সহায়তা অংশে আপনার নিয়মিত উপস্থিতি আশা করছি।


 

নারী অধিকার সংক্রান্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ আইন:

তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯

(২০০৯ সনের ২০ নং আইন) [এপ্রিল ৬, ২০০৯] তথ্যের অবাধ প্রবাহ এবং জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিতকরণের নিমিত্ত বিধান করিবার লক্ষ্যেপ্রণীত আইন। যেহেতু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে চিন্তা, বিবেক ও বাক-স্বাধীনতা নাগরিকগণের অন্যতম মৌলিক অধিকার হিসাবে স্বীকৃত এবং তথ্য প্রাপ্তির অধিকার চিন্তা, বিবেক ও বাক-স্বাধীনতার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ; এবং যেহেতু জনগণ প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক ও জনগণের ক্ষমতায়নের জন্য তথ্য অধিকার নিশ্চিত করা অত্যাবশ্যক; এবং যেহেতু জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিত করা হইলে সরকারী, স্বায়ত্তশাসিত ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থা এবং সরকারী ও বিদেশী অর্থায়নে সৃষ্ট বা ...
বিস্তারিত পড়ুন

গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬

(২০০৬ সনের ১৯ নং আইন’র ১৯ নং আইন) [৯ মে ২০০৬] দেশের প্রতিটি ইউনিয়নের এখতিয়ারাধীন এলাকায় কতিপয় বিরোধ ও বিবাদের সহজ ও দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে গ্রাম আদালত গঠনকল্পে প্রণীত আইন যেহেতু দেশের প্রতিটি ইউনিয়নের এখতিয়ারাধীন এলাকায় কতিপয় বিরোধ ও বিবাদের সহজ ও দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে গ্রাম আদালত গঠন এবং এতদ্‌সংক্রান্ত বিষয়াবলী সম্পর্কে বিধান করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; সংক্ষিপ্ত শিরোনাম, প্রবর্তন ও প্রয়োগ ১৷ (১) এই আইন গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ নামে অভিহিত হইবে৷ (২) ইহা অবিলম্বে কার্যকর হইবে৷ (৩) ইহা কেবলমাত্র ...
বিস্তারিত পড়ুন

এসিড নিয়ন্ত্রণ আইন ২০০২

২০০২ সনের আইন ১নং আইন) এসিডের আমদানী, উৎপাদন, পরিবহন, মজুদ, বিক্রয় ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ, ক্ষয়কারী দাহ্য পদার্থ হিসাবে এসিডের অপব্যবহার রোধ, এবং এসিড দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসা, পুনর্বাসন ও আইনগত সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে প্রণীত আইন৷ যেহেতু এসিডের আমদানী, উৎপাদন, পরিবহন, মজুদ, বিক্রয় ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ, ক্ষয়কারী দাহ্য পদার্থ হিসাবে এসিডের অপব্যবহার রোধ, এবং এসিড দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসা, পুনর্বাসন ও আইনগত সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে বিধান করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; সেহেতু ...
বিস্তারিত পড়ুন

এসিড অপরাধ দমন আইন, ২০০২

এসিড অপরাধসমূহ কঠোরভাবে দমনের উদ্দেশ্যে বিধান করার লক্ষ্যে প্রণীত আইন৷ যেহেতু এসিড অপরাধসমূহ কঠোরভাবে দমনের উদ্দেশ্যে বিধান করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; সেহেতু এতদ্দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল:- সংক্ষিপ্ত শিরোনামা ১৷ এই আইন এসিড অপরাধ দমন আইন, ২০০২ নামে অভিহিত হইবে৷ সংজ্ঞা ২৷ বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থী কোন কিছু না থাকিলে, এই আইনে,- (ক) “অপরাধ” অর্থ এই আইনের অধীন শাস্তিযোগ্য যে কোন অপরাধ; (খ) “এসিড” অর্থ দহনকারী, ক্ষয়কারী ও বিষাক্ত যে-কোন ...
বিস্তারিত পড়ুন

১৯২৯ সনের ১৯নং আইন: ১লা অক্টোবর, ১৯২৯

যেইহেতু বাল্য বিবাহ রিরোধ করা সমীচীন, সেইহেতু এতদ্বারা নিম্নরূপ আইন প্রণয়ন করা হইলঃ ধারা ১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম, আওতা ও প্রারম্ভঃ ক) এই আইন বাল্য বিবাহ নিরোধ আইন, ১৯২৯ নামে অভিহিত হইবে। খ) ইহা সমগ্র বাংলাদেশে কার্যকর হইবে এবং যেখানেই অবস্থান করুন না কেন বাংলাদেশের সকল নাগরিকের উপর ইহা প্রযোজ্য হইবে। গ) ইহা ১৯৩০ সনের ১লা এপ্রিল হইতে বলব হইবে। ধারা ২। সংজ্ঞাঃ বিষয়বস্তু বা প্রসঙ্গের পরিপন্থি কিছু না থাকিলে, এই ...
বিস্তারিত পড়ুন
Loading...